//
অর্থের ব্যাখ্যা

সকলের তরে করুণাময় ও বিশেষভাবে দয়াময় আল্লাহর নামে

(মুহাম্মাদ সা.) বলুন, “তিনিই আল্লাহ, স্বতন্ত্র এক সত্ত্বা; আল্লাহুস়-স়ামাদ [আল্লাহ স্বয়ংসম্পূর্ণ, তাঁকেই সব সৃষ্টির প্রয়োজন, (তিনি খাবার খান না, পানীয় পান করেন না)]। তিনি কাউকে জন্ম দেননি, তাঁকেও কেউ জন্ম দেয়নি। তাঁর সমান ক্ষমতাধারী বা সমতুল্য কেউই নেই।”

  • সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ

তাওহ়ীদ (আল্লাহর একত্ব)

এই সূরার শুরুতেই যে বিষয়ের আলোচনা এসেছে সেটা হচ্ছে তাওহ়ীদ বা ইসলামিক একত্ব। এর রয়েছে তিনটি দিক:

(ক) তাওহ়ীদ আর-রুবূবিয়্যাহ বা আল্লাহর প্রভুত্বের ক্ষেত্রে একত্ব: এর মানে হচ্ছে গোটা মহাবিশ্বের একজনই প্রভু আছেন। তিনিই এর স্রষ্টা, বিন্যস্তকারী, পরিকল্পনাকারী, ভরণপোষণকারী এবং নিরাপত্তাদানকারী। তিনিই আল্লাহ।

(খ) তাওহ়ীদ আল-‘ইবাদাহ বা উপাসনার ক্ষেত্রে আল্লাহর একত্ব: এর মানে হচ্ছে আল্লাহ ছাড়া আর কেউ উপাসনা পাওয়ার যোগ্য নয়। এরূপ উপাসনার মধ্যে রয়েছে, সালাত, দু’আ, সাহায্য প্রার্থনা, শপথ করা, কোরবানি, দান করা, সিয়াম পালন করা, হ়াজ্জ করা ইত্যাদি

(গ) তাওহ়ীদ আল-আসমা ওয়াস-সিফাত বা আল্লাহর নাম ও গুণাবলির ক্ষেত্রে একত্ব: এর মানে হচ্ছে

আল্লাহকে এমন কোনো নাম বা গুণাবলিতে গুণান্বিত না করা যেসব নাম বা গুণাবলি তিনি বা তাঁর বার্তাবাহক সা. তাঁকে দেননি।

আল্লাহর কোনো নাম বা গুণাবলি দিয়ে তাঁর সৃষ্টিকে নামকরণ করা যাবে না। অনুরূপ গুণাবলি সৃষ্টির প্রতি আরোপ করা যাবে না। যেমন: আল-কারীম

আল্লাহ আল-কুর’আনে অথবা তাঁর বার্তাবাহক মুহাম্মাদ সা.-এর মাধ্যমে যেসব গুণাবলির কথা উল্লেখ করেছেন তার সবগুলোতে অবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে। এগুলোর অর্থে কোনোরূপ পরিবর্তন আনা যাবে না, অবহেলা করা যাবে না, অর্থ বিকৃত করা যাবে না, সৃষ্ট কোনো কিছুর সাথে আল্লাহর গুণাবলির কোনো তুলনা দেওয়া যাবে না; যেমন: আল-কুর’আনে (২০:৫) উল্লেখ আছে আল্লাহ তাঁর আসনের উপর আছেন:-

“সবচেয়ে করুণাময় (আল্লাহ) তাঁর (সুবিশাল) আসনে (তাঁর মহিমার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ উপায়ে) আরোহণ করেছেন।”

এটা সাত আকাশের উপরে। তিনি প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে এবং ‘আরাফাহ্র দিনে (যুল-হিজ্জাহ মাসের নবম দিন) প্রথম (কাছের) আকাশের উপর নেমে আসেন; নাবি সা. এভাবেই আমাদের কাছে বর্ণনা করে গেছেন।

আল্লাহ তাঁর জ্ঞানের মাধ্যমে সবসময় আমাদের সাথেই আছেন, শারীরিক সত্ত্বার (বি-যাতিহি) মাধ্যমে নয়।

আল্লাহ বলেছেন,

“কোনো কিছুই তাঁর মতো নয়; তিনি সব শোনেন, সব দেখেন।” (৪২:১১)

এই আয়াত দিয়ে এটা প্রমাণিত যে, আল্লাহর শোনার ও দেখার ক্ষমতা রয়েছে কিন্তু সেই ক্ষমতা তাঁর কোনো সৃষ্ট বস্তুর সাথে তুলনীয় নয়। অনুরূপভাবে আল্লাহ বলেছেন,

“যাকে আমি আমার উভয় হাত দিয়ে সৃষ্টি করেছি,” (৩৮:৭৫);

এবং তিনি আরও বলেছেন,

“তাদের হাতের উপর রয়েছে আল্লাহর হাত।” (৪৮:১০)

আল্লাহর যে দুটো হাত আছে তা প্রমাণ করে এই আয়াতগুলো, কিন্তু সেই হাত তাঁর কোনো সৃষ্টির সাথে তুলনীয় নয়; কোনোভাবেই। এটাই প্রকৃত বিশ্বাসীদের বিশ্বাস। নূহ, ইবরাহীম, মূসা, ঈসা থেকে শুরু করে শেষ নাবি মুহাম্মাদ—তাঁদের সবার উপর আল্লাহর শান্তি বর্ষিত হোক—পর্যন্ত সব নাবি এই বিশ্বাসই ধারণ করতেন। অনেকে মনে করেন যে আল্লাহ সব জায়গায় আছেন—এখানে সেখানে এমনকি মানুষের অন্তরে; এমন বিশ্বাসও বিশুদ্ধ তাওহ়ীদ বিশ্বাসের পরিপন্থী।

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া আর কোনো উপাস্য উপাসনার যোগ্য নয়) বাক্যটির মধ্যে তাওহ়ীদের এই তিনটি দিকই অন্তর্ভুক্ত।

একই সঙ্গে তাঁর বার্তাবাহক মুহাম্মাদ সা. কে অনুসরণ করাও আবশ্যক। আরবিতে একে বলা হয়: উজূব আল-ইত্তিবা’। এটা তাওহ়ীদুল-উলূহিয়্যাহ্র একটি অংশ।

“আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে মুহাম্মাদ সা. আল্লাহর বার্তাবাহক”—এর মধ্যে উপরোক্ত অর্থটা অন্তর্ভুক্ত। এর মানে এটাই দাঁড়ায় যে, “আল্লাহর বই আল-কুর’আনের পর মুহাম্মাদ সা. ছাড়া আর কেউ অনুসরণের অধিকারী নয়।”

আল্লাহ বলেছেন,

“রাসূল তোমাদেরকে যা দেয় তা-ই নাও, আর যা নিতে বারণ করেন, তা নিও না।” (৫৯:৭)

আল্লাহ আরও বলেছেন,

“(মুহাম্মাদ সা. মানবজাতিকে) বলো, ‘যদি তোমরা (সত্যিই) আল্লাহকে ভালোবাসো তাহলে আমাকে অনুসরণ করো [অর্থাৎ ইসলামিক একত্বকে গ্রহণ করো, আল-কুর’আন ও সুন্নাহ (নাবি সা.-এর বিধিবিধান) অনুসরণ করো], এতে করে আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন; তোমাদের অপরাধ মার্জনা করে দেবেন।'” (৩:৩১)

আল্লাহ ও দাসের মধ্যকার পারস্পরিক অধিকার

মু’আয ইব্ন জাবাল রা. বর্ণনা করেছেন যে, নাবি সা. বলেছেন, “মু’আয, আল্লাহর দাসের কাছে তাঁর হক কী?” আমি বললাম, “আল্লাহ ও তাঁর বার্তাবাহকই ভালো জানেন।” নাবি সা. বললেন, “একমাত্র তাঁরই ‘ইবাদাত করা এবং ‘ইবাদাতে তাঁর সাথে কাউকে শরীক না করা। তুমি কি জানো তাঁর কাছে দাসের হক কী?” আমি বললাম, “আল্লাহ ও তাঁর বার্তাবাহকই ভালো জানেন।” নাবি সা. বললেন, “(যদি তারা উপরোক্ত কাজটা করে তাহলে) তাদের শাস্তি না দেওয়া।” [সহীহ আল-বুখারি, ৭৩৭৩]

সূরা আল-ইখলাস আল-কুর’আনের এক তৃতীয়াংশ

আবু সা’ঈদ আল-খুদরী রা. বর্ণনা করেছেন, এক লোক আরেকজন লোককে তিলাওয়াত করতে শুনলেন যে, “ক়ুল হুয়াল্লাহু আহ়াদ”। তিনি এটা বারবার তিলাওয়াত করছিলেন। যখন সকাল হলো, তিনি নাবি সা.-এর কাছে গিয়ে এ ব্যাপারে জানালেন যে, লোকটি যেন সূরাহ আল-ইখলাসের গুরুত্বকে কম করছিল। আল্লাহর বার্তাবাহক সা. বললেন, “যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তাঁর শপথ, এই সূরা আল-কুর’আনের তিনভাগের একভাগের সমান।” [সহীহ আল-বুখারি, ৭৩৭৪]

সূরাহ আল-ইখলাস পাঠকারীর প্রতি আল্লাহর ভালোবাসা

‘আ’ইশাহ রা. বর্ণনা করেছেন যে, নাবি সা. একবার এক ব্যক্তির নেতৃত্বে এক বাহিনী পাঠান। সেই ব্যক্তি সালাতে তার সঙ্গীদের নেতৃত্ব দিতেন এবং সবসময় সূরাহ আল-ইখলাস দিয়ে তিলাওয়াত শেষ করতেন। (যুদ্ধ থেকে) তারা যখন ফিরে এলেন, তারা তখন নাবি সা.-কে এ ব্যাপারে জানালেন। তিনি তাদের বললেন, ‘তাকেই জিজ্ঞেস করো কেন সে এমনটা করে।’ তারা সেই ব্যক্তিকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, ‘আমার এমনটা করার কারণ হচ্ছে এই সূরায় সবচেয়ে করুণাময়ের গুণাবলির উল্লেখ আছে আর আমি এটা (আমার সালাতে) তিলাওয়াত করতে ভালোবাসি।’ নাবি সা. (তাদের) বললেন, ‘তাকে জানিয়ে দাও যে, আল্লাহও তাকে ভালোবাসেন।’ [সহীহ আল-বুখারি, ৭৩৭৫]

আল্লাহর সন্তান আছে এমন দাবির খণ্ডন

তৃতীয় আয়াতের মাধ্যমে পৃথিবীর যেসব ধর্মে সর্বোচ্চ সত্ত্বার সন্তান আছে বলে দাবি করা হয়, তার খণ্ডন করা হয়েছে। যেমন মূর্তিপূজারীদের দাবি অনুযায়ী দেব-দেবীরা সন্তান জন্ম দেন। খ্রিষ্টানদের মতে যীশু আল্লাহর ছেলে। ইহুদিদের মতে উযাইর আল্লাহর সন্তান—এধরনের সব ভ্রান্ত ধারণা এই আয়াতের মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছে।

আল্লাহ সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণার নিরসন

সৃষ্টির শুরু থেকেই মহান আল্লাহ তাঁর নাবিদের মাধ্যমে যে পথনির্দেশ দিয়ে গেছেন মূলে তার নির্যাস সবসময় একই। কিন্তু কালের পরিক্রমায় এই বার্তা বিভিন্ন কুসংস্কারের সংস্পর্শে এসে বিকৃত হয়েছে। তথাকথিত বিভিন্ন অতিপ্রাকৃত প্রথা ও অর্থহীন রীতিনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে।

বিভিন্নভাবে আল্লাহ সম্পর্কিত বিশুদ্ধ ধারণা কলুষিত হয়েছে:

ক) আল্লাহকে মানবীয় আকার-আকৃতি দান করে মানবীয় সত্ত্বার সাথে গুলিয়ে ফেলা।

খ) ফেরেশতা বা মালাকদের প্রতি দেবত্ব আরোপ করা।

গ) আল্লাহর সঙ্গে অন্যান্যদের শরীক করা (যেমন: হিন্দু ও খ্রিষ্ট ধর্ম)।

ঘ) কোনো নাবি বা বিভিন্ন ধার্মিক ব্যক্তিকে অবতাররূপে গ্রহণ করা। (যেমন: খ্রিষ্ট ধর্মে যীশুকে, মহাযান বৌদ্ধ ধর্মে বুদ্ধকে, হিন্দু ধর্মে কৃষ্ণ ও রামকে)

ঙ) আল্লাহর গুণাবলিকে বিচ্ছিন্ন ঐশী সত্ত্বায় ভাগ করে মানব-প্রতীকরূপে বিবেচনা করা। (যেমন: খ্রিষ্টীয় ত্রিত্ব: একই ঈশ্বরের মধ্যে বাবা, ছেলে ও পবিত্র আত্মার সম্মিলন; হিন্দুদের ত্রিমূর্তি: ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব)

নাবি মুহাম্মাদ, তাঁর উপর শান্তি ও আশীর্বাদ বর্ষিত হোক, এ ধরনের সব তত্ত্বকে প্রত্যাখ্যান করে আল্লাহ সম্পর্কিত আদি ও অকৃত্রিম বিশ্বাস পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

সূরাহ আল-ইখলাস়ে আদি বিশ্বাসের সেই বিশুদ্ধ রূপটিই সংক্ষেপে বর্ণনা করা হয়েছে। যুগে যুগে অগণিত নাবি-রাসূলদের মাধ্যমে আল্লাহ মানবজাতির কাছে এই জ্ঞান দিয়েই তাঁর প্রত্যাদেশ পাঠিয়েছিলেন। মূসা (মোসেস), ঈসা (জেসাস—যীশু), মুহাম্মাদ—তাঁদের সবার উপর শান্তি বর্ষিত হোক—এই একই বার্তা মানবজাতির সামনে উপস্থাপন করেছিলেন।

কিন্তু নাবিদের মৃত্যুর পর তাঁদের বিশুদ্ধ শিক্ষা থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণে মানুষের মধ্যে ধীরে ধীরে আবার বহুঈশ্বরবাদ ও মূর্তিপূজা মাথা গুঁজে নেয়। নিজেদের লালসাকে পূর্ণ করার জন্য তারা আশ্রয় নিয়েছে তাদের ত্রুটিপূর্ণ যুক্তি, ভ্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গী ও পক্ষপাতপূর্ণ ব্যাখ্যার উপর। কিন্তু তাদের যদি তাওহীদভিত্তিক ব্যবস্থার উপর চলতে হতো তাহলে তারা এ ধরনের স্বেচ্ছাচারমূলক কাজ কখনোই করতে পারত না। সেক্ষেত্রে এক আল্লাহর আদেশ মানা ছাড়া তাদের আর কোনো গতি ছিল না।

অতুলনীয় আল্লাহ

ইসলামের চতুর্থ খলিফা আলি ইব্ন আবী তালিব, আল্লাহ তার উপর সন্তুষ্ট থাকুন, তার থেকে বর্ণিত আছে যে তিনি বলেছেন, ‘ধর্মের মূল হচ্ছে আল্লাহর ব্যাপারে জ্ঞান লাভ করা। সেই জ্ঞানের পূর্ণতা হচ্ছে তাঁর ব্যাপারে সাক্ষ্য দেওয়া। তাঁর ব্যাপার সাক্ষ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গতা হচ্ছে তাঁর একত্বকে বিশ্বাস করা। তাঁর একত্বের ব্যাপারে বিশ্বাসের ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গতা হচ্ছে তাঁকে পবিত্র হিসেবে বিবেচনা করা। আর এর মানে হচ্ছে তাঁর ব্যাপারে সব নেতিবাচক গুণাবলিকে প্রত্যাখ্যান করা।’ (আন-নাহ্জ আল-বালাগাহ)

আল্লাহ অসীম, তিনিই প্রথম তিনিই শেষ, তিনি স্বয়ং-অস্তিত্বশীল, স্বয়ংসম্পূর্ণ। এই সূরাতে তা-ই বলা হয়েছে।

“কোনো দৃষ্টি তাঁর নাগাল পায় না, কিন্তু তিনি সব দৃষ্টির নাগাল পান।” (৬:১০৩)

“কোনো কিছুই তাঁর মতো নয়; তিনি সব শোনেন, সব দেখেন।” (৪২:১১)

আলি, আল্লাহ তার উপর সন্তুষ্ট থাকুন, তার ভাষ্যমতে, ‘তিনি এমন একজন সত্ত্বা, কিন্তু আমাদের সাধারণ ইন্দ্রিয় যেভাবে কোনো সত্ত্বাকে অস্তিত্বশীল হওয়ার চিন্তা করে তিনি সেভাবে অস্তিত্ব লাভ করেননি। তিনি অস্তিত্বশীল, কিন্তু কোনো অনস্তিত্বশীল অবস্থা থেকে অস্তিত্ব লাভ করেননি। তিনি সবকিছুর সাথেই আছেন, কিন্তু তার মানে এই না যে, শারীরিকভাবে তিনি সবকিছুর সাথে আছেন। তিনি সবকিছুর চেয়ে আলাদা। কোনো উপায় উপকরণের সাহায্য ছাড়াই তিনি তার কাজ করে থাকেন। তিনিই সেই স্বতন্ত্র একক সত্ত্বা যার কোনো সঙ্গীর প্রয়োজন নেই, এবং যিনি কোনো সঙ্গীর অভাব বোধ করেন না।’ (আন-নাহ্জ আল-বালাগাহ, “প্রথম খুতবাহ”)।

সহায়ক গ্রন্থতালিকা
আলি উনাল। দ্যা কুর’আন উইথ অ্যান্নোটেটেড ইন্টারপ্রিটেশন ইন মডার্ন ইংলিশ, ইউএসএ: তুরগা বুক্স, ২০০৮
ড. মুহাম্মাদ তাকি-উদ-দিন আল-হিলালি ও ড. মুহাম্মাদ মুহসিন খান। ইন্টারপ্রিটেশন অফ দ্যা মিনিংস অফ দ্যা নোব্ল কুর’আন, সাউদি আরাবিয়া: দার-উস-সালাম, ২০০১
ড. মুহাম্মদ ফজলুর রহমান। কোরআন শরীফের সরল বাংলা অনুবাদ, বাংলাদেশ: রিয়াদ প্রকাশনী, ২০১৪
ফারুক-ই-আযাম মালিক। আল-কুর’আন: দ্যা গাইডেন্স ফর ম্যানকাইন্ড, ইউএসএ: দ্যা ইন্সটিটিউট অফ ইসলামিক নলেজ
মুফতি মুহাম্মাদ আশিক এলাহি মুহাজির মাদানি। তাফসীর আনওয়ারুল বায়ান, পাকিস্তান: দারুল ইশাত ২০০৫
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান। কোরানশরিফ সরল বঙ্গানুবাদ, বাংলাদেশ: মাওলা ব্রাদার্স, ২০১১
সম্পাদনা পরিষদ। আল-কুরআনুল করীম, বাংলাদেশ: ইসলামিক ফাউন্ডেশন: ২০১২

আলোচনা

কোন মন্তব্য নেই এখনও

মন্তব্য করুন...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: