//
অনুগ্রহ আল্লাহর পক্ষ থেকে

আল্লাহ বলেন (অর্থের ব্যাখ্যা),

﴿أَلَمْ تَرَ إِلَى الَّذِينَ تَوَلَّوْاْ قَوْماً غَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِم ﴾

(হে মুহাম্মাদ صلى الله عليه  وسلم) তুমি কি তাদের প্রতি লক্ষ্য করনি, আল্লাহ যাদের প্রতি অসন্তুষ্ট তাদের সাথে যারা বন্ধুত্ব করে। (৫৮:১৪) এছাড়াও যারা পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত তাদের কথাও আল্লাহ উল্লেখ করেছেন। যদিও তারা আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত গন্ত্যবের কারণেই পথভ্রষ্ট হয়েছে। যেমন, আলাহ বলেছেন,

﴿مَن يَهْدِ اللَّهُ فَهُوَ الْمُهْتَدِ وَمَن يُضْلِلْ فَلَن تَجِدَ لَهُ وَلِيًّا مُّرْشِدًا﴾

আল্লাহ যাকে সৎপথে চালান, সেই সৎপথ প্রাপ্ত, কিন্তু তিনি যাকে পথভ্রষ্ট করেন, তুমি কখনও তার জন্যে ওয়ালী (পথপ্রদর্শনকারী ও সাহায্যকারী) পাবে না। [১৮:১৭] এবং,

﴿مَن يُضْلِلِ اللَّهُ فَلاَ هَادِيَ لَهُ وَيَذَرُهُمْ فِى طُغْيَـنِهِمْ يَعْمَهُونَ ﴾

এরকমই আরও বহু আয়াত রয়েছে যা দ্বারা একথা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত যে, আল্লাহই একমাত্র পথ দেখান এবং বিপথগামী করান। (৭:১৮৬)

কাদরিয়্যাহ দল, যারা কতগুলি অস্পষ্ট আয়াতকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করে বলে থাকে যে, বান্দা তার ইচ্ছাধীন ও মুক্ত স্বাধীন, সে নিজেই নিজের গন্তব্য পছন্দ করে। বাতিলপন্থীদের এটাই রীতি যে, যেটা তাদের বিপক্ষে যায় তারা এরূপ স্পষ্ট আয়াতকে পরিহার করে অস্পষ্ট আয়াতের পিছনে লেগে থাকে। একটি সহীহ হাদীসে বর্ণিত আছে,

«إِذَا رَأَيْتُمُ الَّذِينَ يَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ فَأُولئِكَ الَّذِينَ سَمَّى اللهُ فَاحْذَرُوهُمْ»

যখন তোমরা ঐ লোকদেরকে দেখ যারা অস্পষ্ট আয়াতসমূহের পিছনে লেগে থাকে তখন বুঝে নিও যে, তারা ওরাই যাদের নাম স্বয়ং আল্লাহ তা’আলা নিয়েছেন এবং স্বীয় কিতাবে উল্লেখ করেছেন। সুতরাং তোমরা তাদের থেকে সতর্ক থাক।

এ নির্দেশনায় নাবী (স) যে আয়াতের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন সেটা হচ্ছে,

﴿فَأَمَّا الَّذِينَ فى قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَـبَهَ مِنْهُ ابْتِغَآءَ الْفِتْنَةِ وَابْتِغَآءَ تَأْوِيلِهِ﴾

যাদের মনে (সত্য থেকে) বিচ্যুতি আছে, তারা [অন্যদের] ভুল পথে চালিত করার জন্য [শুধু] এ [আয়াত]সমূহই অনুসরণ করে, যেগুলা রুপক অর্থে আছে, বৈসাদৃশ্য খুঁজে এবং [নিজিদের পছন্দ অনুযায়ী] ব্যাখ্যা অনুসন্ধান করে, যা আল্লাহ্‌ ছাড়া আর কেউ জানেনা। [৩:৭]

ধর্মের মধ্যে যারা বিদ’আতের প্রচলন করে কুর’আন থেকে তারা এর সপক্ষে কোন দলীল কখনই দিতে পারবেনা। কুর’আন মাজীদের আগমনই হয়েছে সত্য ও মিথ্যা, হিদায়াত ও গুমরাহীর মধ্যে পার্থক্য দেখিয়ে দেয়ার জন্য। বৈপরীত্ব কিংবা মতবিরোধের কোন অবকাশই এতে নেই, কারণ এটা মহাবিজ্ঞ ও সকল প্রশংসার একমাত্র মালিক আল্লাহর কাছ থেকে এসেছে।

<পূর্বের পৃষ্ঠা ▬▬▬▬▬ পরের পৃষ্ঠা>

আলোচনা

কোন মন্তব্য নেই এখনও

মন্তব্য করুন...

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: